Largest Domain Hosting Market

Domain, Hosting and Information Technology Related Web Site

ওয়ার্ডপ্রেস সেটিংস মেনু টিউটোরিয়াল (WordPress Settings Menu Tutorial) – আলোচনা বা Discussion Settings

https://domainhostingmarket.com/wp-content/uploads/2016/08/offer-vps.gif

“Attempt to notify any blogs linked to from the article” এটা টিক দিয়ে রাখলে ঐ সমস্ত আর্টিকেল বা সাইটে ওয়ার্ডপ্রেস পিং/নটিফিকেশন পাঠাবে যেগুলির লিংক আপনি আপনার পোস্টে দিবেন। ফেইসবুকের মত। ফেসবুকে যদি @webcoachbd এভাবে কোন পোস্ট আপনার নিজের ওয়ালে দেন তাহলে “Webcoacbd” কে একটা নটিফিকেশন দিবে যে “Webcoachbd” কে অমুক তার ওয়ালে উল্লেখ করছে। এরুপ ওয়ার্ডপ্রেসও করে, তাই যদি আপনি কোন পোস্ট করার সময় আপনার পোস্টে অনেকগুলি বাইরের সাইটের লিংক/আর্টিকেল লিংক দেন এবং আপনার সাইটের পিংব্যাক সক্রিয় (pingback নিয়ে আগে আলোচনা করেছি) করা থাকে তাহলে অনেক সময় নিয়ে ঐ সাইটগুলিকে নটিফিকেশন দিবে।

“Allow link notifications from other blogs (pingbacks and trackbacks)”  এটা টিক দেয়া থাকলে আপনার এ্ই সাইটকে নটিফিকেশন দিবে যদি অন্য কোন সাইট আপনার সাইটের আর্টিকেল ইত্যাদি ব্যবহার করে।

“Allow people to post comments on new articles” বাই ডিফল্ট এটা চেক দেয়া থাকে এবং চেক থাকলে নতুন তৈরী করা একটা পোস্টে/আর্টিকেলে সাধারন ইউজাররা মন্তব্য করতে পারবে। এই অপশনটি প্রতিটি পোস্ট তৈরীর সময় সেই পোস্টেও থাকে। সুতরাং এটাও সম্ভব যে সব পোস্টে মন্তব্য প্রদান অপশন থাকবে কিন্তু নির্দিষ্ট একটি/কয়েকটির জন্য থাকবেনা।

 

“Comment author must fill out name and e-mail” যারা মন্তব্য করবে তাদের নাম এবং ইমেইল ফিল্ড পূরন অাবশ্যক কিনা সেটা ঠিক করে দেয়া যায়। টিক দেয়া থাকলে অবশ্যই ফিল্ডগুলি পূরন করে এরপর মন্তব্য দিতে হবে।

“Users must be registered and logged in to comment” এটা সিলেক্ট করা থাকলে ইউজার নিবন্ধিত হতে হবে মন্তব্য করতে হলে। অনিবন্ধিত ইউজার মন্তব্য করতে পারবেনা।

” Automatically close comments on articles older than — days” এখানে শুন্যস্থানে যে সংখ্যা দিবেন সেই সংখ্যক দিন পর পোস্টে মন্তব্য করার অপশন বন্ধ হয়ে যাবে।

“Enable threaded (nested) comments — levels deep” এখানে শূন্যস্থানে দেয়া সংখ্যা পরিমান মন্তব্য শ্রেনীবদ্ধ করে দেখাবে নিচের মত। সর্বোচ্চ ১০ পর্যন্ত দিতে পারেন।

“Break comments into pages with — top level comments per page and the [last/first] page displayed by default. Comments should be displayed with the [older/newer] comments at the top of each page”

এটা হল মন্তব্যগুলি পেজিনেশন নিয়ে দেখাবে কিনা সেটা ঠিক করার জন্য। শূন্যস্থানে দেয়া সংখ্যা পরিমান মন্তব্য একপেজে দেখাবে এরপর মন্তব্য থাকলে পরের পেজগুলির লিংক থাকবে। শেষে করা মন্তব্যগুলি আগে দেখতে চাইলে ড্রপডাউন থেকে “last” সিলেক্ট করে দিন আর প্রথমে করা মন্তব্যগুলি আগে দেখতে চাইলে “first” সিলেক্ট করুন। “older” দিলে পুরানা মন্তব্যগুলি আগে দেখাবে এবং “newer” দিলে নতুনগুলি আগে দেখাবে।

 

এরপর আছে ইমেইল সংক্রান্ত কিছু সেটিংস

“Anyone posts a comment” এটা টিক দিয়ে রাখুন যদি যে কেউ মন্তব্য (পোস্টে) করলে সেটার নটিফিকেশন মেইলে চান।

“A comment is held for moderation”  এটা টিক দিলে মন্তব্যগুলি আপনি রিভিউ করে এরপর পাবলিশ করতে পারেন। মন্তব্য পোস্টে আসলেই আপনার কাছে মেইল আসবে এরপর আপনি চাইলে সেই মন্তব্য বাতিল করে দিতে পারেন কিংবা অনুমোদনও দিতে পারেন। আপনি এডমিন শুধু এই সুবিধা পাবেন।

 

“Comment must be manually approved” এটা টিক দেয়া থাকলে প্রত্যেকটি মন্তব্য আগে অনুমোদন দিতে হবে এরপর সাইটে প্রকাশিত হবে।

“Comment author must have a previously approved comment” যদি এটা টিক দিয়ে রাখেন তাহলে সেই সকল মন্তব্যকারীর (ইমেইলের) মন্তব্য অটোমেটিক অনুমোদন পেয়ে যাবে যাদের মন্তব্য কখনও আগে একবার অনুমোদন করা হয়েছিল। যদি ইমেইলটি (মন্তব্যকারী) পূর্ব থেকে অনুমোদিত না হয় তাহলে তার মন্তব্য মডারেশন এর জন্য জমা হয়ে থাকবে।

 

এরপর আছে মন্তব্য মডারেশন এবং কালো তালিকাভুক্ত করার অপশন। যেমন নিচের ছবিতে যেখানে মান “2” আছে সেটা হল কোন মন্তব্যে যদি ২টির বেশি লিংক থাকে তাহলে সেই মন্তব্য প্রকাশ হবেনা বরং মডারেটর/ব্লগ নিয়ন্ত্রকের কাছে চলে যাবে। কেননা অনেক ব্লগে মন্তব্য করতে গিয়ে শুধু নিজের সাইটের লিংক দিয়ে আসে।

এরপরে নিচের টেক্সটএরিয়াতে দেখুন আমি যেসব শব্দ, ইমেইল বা সাইটের ঠিকানা দিয়েছি এগুলি যদি কোন মন্তব্যে পাওয়া যায় তাহলে সেই মন্তব্যগুলি মডারেশন সারিতে চলে যাবে এবং মডারেট না হওয়া পর্যন্ত (এডমিন কর্তৃক) প্রকাশ হবেনা। আর এর নিচের ফিল্ডটিতে ঐ একই শব্দ দিয়েছি ফলে ঐ শব্দগুলি কোন মন্তব্যে থাকলে সেটা কালো তালিকাভুক্ত হয়ে যাবে। আমি উদাহরনের জন্য এভাবে দিয়েছি আপনি ইচ্ছেমত শব্দ, আইপি, ইমেইল আলাদা আলাদা করে দুটো ফিল্ডে দিতে পারবেন।

“Discussion” সেটিংস এ সব শেষে আছে Avatar সেটিংস। অ্যাভাটার (Avatar) হচ্ছে প্রোফাইল ইমেজের মত। ইউজারের নামের পাশে অ্যাভাটার দেখায়। আপনার সাইটে যারা মন্তব্য করবে তাদের avatar দেখাবে কি দেখাবেনা এসব ঠিক করা যায়। যেমন নিচে দেখুন

“Avatar Display” বাই ডিফল্ট টিক দেয়াই থাকে এবং এখন আপনার সাইটের ফ্রন্টইন্ডে মন্তব্যে প্রতিটি ইউজারের নামের পাশে তার ছবি দেখাবে।

“Maximum Rating” এখান থেকে avatar কারা দেখতে পারবে সেটা ঠিক করা যায়। যেমন “G” রেডিও বাটন চেক থাকলে ইউজারের avatar সবাই দেখতে পারে। “PG” চেক থাকলে ১৩ উপরের বয়সের ইউজার হলে তবেই শুধু ইউজারদের avatar দেখতে পারবে। “R” হলে ১৭+ এবং “X” হলে ১৮+ রা দেখতে পারবে। এখন বলতে পারে ওয়ার্ডপ্রেস কিভাবে বুঝবে আমার বয়স কত? আপনি যখন একাউন্ট তৈরী করবেন তখন জন্ম তারিখ ইত্যাদি দিয়ে থাকেন, সেখান থেকে হিসেব করে বের করে।

“Default Avatar” অপশন থেকে যেটা সিলেক্ট করবেন সেটা ঐ ইউজারের avatar হিসেবে দেখাবে যে নিজের থেকে কোন avatar দেয়নি।

Share This:

Updated: March 4, 2017 — 11:42 am
0 0 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
Domain Hosting Market © 2015